কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত বিজেপির মহাসমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালান। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান হবে এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকার বিদায় নিতে হবে।
মোদি বলেন, ‘এই বাংলার মানুষ দুর্নীতি ও অত্যাচারের জবাব দিবে নির্বাচনে। বিজেপি নতুন বাংলা গড়বে যেখানে মানুষের মুখে হাসি ফোটবে এবং পেটে ভাত জোগাবে।’ তিনি তৃণমূল সরকারকে ‘মহা চোর’ ও ‘চোরের রাজত্ব’ বলে অভিহিত করেন।
সভায় মোদি দাবি করেন, তৃণমূল সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, এই সরকার চাকরি বিক্রি করেছে এবং গ্রামে কেন্দ্রীয় প্রকল্প পৌঁছানোর পথে বাধা দিচ্ছে। তিনি ঘোষণা করেন, বিজেপি সরকার আসলে সুশাসন আনবে এবং সব গরিবের জন্য পাকা বসতঘর নির্মাণ করবে।
বিজেপি ২ মার্চ থেকে শুরু করে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ চলাচ্ছে। এই যাত্রার সমাপ্তি কলকাতায় অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশের মাধ্যমে ঘটেছে। মোদি এই রাজ্যের উন্নয়নের জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
তবে সভার আগে গিরিশ পার্ক এলাকায় বিজেপি মিছিলকারীদের ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দু’পক্ষই ইটপাটকেল ছোড়ায়। মোদি তৃণমূলের নারী মন্ত্রী শশী পাঁজার বাসভবনের কাছে সংঘর্ষের ঘটনায় তৃণমূলকে দায়ী করেন।
মোদি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর অসম্মানের ঘটনাও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, রাজ্যের আদিবাসী সমাজ এই অসম্মানের জবাব দিবে।
এই নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূলের জঙ্গলরাজের অবসান ঘোষণা করে। তারা দাবি করেন, বিজেপি আসলে বাংলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রবাসী বাংলাদেশীরা এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের আশায় আছেন। তারা বিশ্বাস করেন, পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন আসলে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কও উন্নত হবে।
মন্তব্য করুন