মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনেট সোমবার মার্কওয়ে মুলিনকে দেশটির স্বরাষ্ট্র বিভাগের (ডিএইচএস) নতুন সচিব হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। ভোটাভুটিতে তার পক্ষে ৫৪টি ও বিপক্ষে ৪৫টি ভোট পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক গৃহীত এই পরিবর্তন এসেছে ক্রিস্টি নিমের নেতৃত্বাধীন ডিএইচএসের কার্যক্রম নিয়ে কয়েক মাস ধরে চলা তদন্ত ও সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে।
মার্কওয়ে মুলিনের এই নিয়োগ মার্কিন রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। তার নিয়োগের মাধ্যমে ডিএইচএস-এর অভ্যন্তরীণ কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে ক্রিস্টি নিমের নেতৃত্বকালীন সময়ে ডিএইচএস বিভিন্ন কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছিল, যার ফলে তার পদত্যাগ অনিবার্য হয়ে উঠেছিল। এখন মুলিনের নেতৃত্বে ডিএইচএস কীভাবে নিজেকে পুনর্গঠিত করবে তা দেখার বিষয়।
মার্কওয়ে মুলিন অক্লাহোমার প্রাক্তন সিনেটর ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং তার অভিজ্ঞতা মার্কিন সরকারের বিভিন্ন স্তরে কাজ করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার নিয়োগের ফলে ডিএইচএস-এর অভ্যন্তরীণ সংস্কার ও কার্যক্রমে গতি আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ডিএইচএস-এর নেতৃত্ব নিয়ে বেশ কিছু সমালোচনা হয়েছিল। বিশেষত অভিবাসন নীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে পূর্ববর্তী নেতৃত্বের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। মুলিনের নিয়োগের ফলে এই নীতিগুলোতে পরিবর্তন আসবে কিনা তা এখন দেখার বিষয়। মার্কিন সরকারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে তার ভূমিকা কতটা কার্যকর হবে তা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।
মার্কওয়ে মুলিনের নিয়োগ মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে অনেকে মনে করছেন। বিশেষত রিপাবলিকান দলের মধ্যে তার অবস্থান ও প্রভাব আরও সুদৃঢ় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে আগামী দিনগুলোতে মার্কিন রাজনীতিতে তার প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবেন।
মন্তব্য করুন