ঢাকার সংসদ সচিবালয়ে আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে দেশের কৃষি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুল মালিক, কৃষি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা মো. আবদুল মালিক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা জুনায়েদ আহমেদ পালক, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলমসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
বৈঠকে আলোচিত হয় কৃষক কার্ড প্রকল্পের কার্যকরীকরণ, কৃষকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা, কৃষি ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং কৃষকদের জন্য ডিজিটাল সেবা প্রদানের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্পের গুরুত্বকে রেখে বলেন, ‘কৃষকরা দেশের অর্থনীতির মুলধার। তাদের সুবিধার জন্য এই প্রকল্পটি শুরু করা হয়েছে।’
বৈঠকে জানা যায়, আগামী ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কারণ, তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন।
বৈঠকে উপস্থিত কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুল মালিক বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।’
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইকবাল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৈঠকে কৃষি খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। বিশেষ করে কৃষি ঋণ, কৃষি সরঞ্জামের ক্রয়, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষি তথ্য প্রদান ইত্যাদি সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কারণ, তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। বিশেষ করে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন।
বৈঠকে উপস্থিত কৃষি প্রতিমন্ত্রী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।’
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা মো. আবদুল মালিক বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।’
বৈঠকে উপস্থিত ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা জুনায়েদ আহমেদ পালক বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।’
বৈঠকে উপস্থিত স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।’
এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কৃষকরা এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। বিশেষ করে কৃষি ঋণ, কৃষি সরঞ্জামের ক্রয়, কৃষি প্রশিক্ষণ, কৃষি তথ্য প্রদান ইত্যাদি সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ কারণ, তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। বিশেষ করে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি প্রবাসীরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন।
মন্তব্য করুন