নিউ ইয়র্কের আলেগানি কাউন্টির একটি একাকী সড়কপথে ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে একটি অজ্ঞাত মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল। সেই মৃতদেহের শিরা নেই, হাত নেই—কেবল একটি অঙ্গহীন দেহ। ৫৬ বছর পর ডিএনএ প্রযুক্তির সাহায্যে সেই অজ্ঞাত মৃতদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। কিন্তু এখনো তার হত্যাকারীর খোঁজে আছেন পুলিশ।
নিউ ইয়র্ক স্টেট পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সেই মৃতদেহের মালিক ছিলেন ক্লাইড এ. কোপেজ (Clyde A. Coppage), যিনি ১৯৭০ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে নিহত হন। তার মৃতদেহ অ্যান্ডোভারের ডেভিস হিল রোডে পাওয়া গিয়েছিল। পুলিশের তদন্তে জানা যায়, কোপেজ পেনসিলভেনিয়া থেকে এসেছিলেন এবং তার অদৃশ্য হওয়ার খবর কোথাও ছিল না।
পুলিশের মতে, মৃতদেহের অবস্থা থেকে বোঝা যায়, কোপেজকে অন্য কোনো স্থানে হত্যা করা হয়েছিল এবং তারপর তার দেহকে অঙ্গহীন করে সড়কপথে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালের জুন মাসে তার দেহ পুনরুদ্ধার করা হয় এবং ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এতে এফবিআই (FBI) এর সহায়তা ছিল।
এখনো এই হত্যার পিছনে কে দায়ী তা জানা যায়নি। পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তারা জনসাধারণের সহায়তা চায়। যদি কেউ কোপেজ বা তার হত্যাকারীর সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, তবে তারা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন।
এই ঘটনা আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, প্রযুক্তি যদিও অনেক দূর চলে আসেছে, কিন্তু কিছু অপরাধের পিছনে থাকা অপরাধীরা এখনো বেঁচে থাকতে পারে। বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য এই ধরনের খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা নিউ ইয়র্কে বা অন্য কোনো মার্কিন শহরে বসবাস করছেন। তারা জানতে চান যে, তাদের শহরে কি ঘটছে এবং কীভাবে তারা নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, প্রযুক্তি যদিও অনেক দূর চলে আসেছে, কিন্তু কিছু অপরাধের পিছনে থাকা অপরাধীরা এখনো বেঁচে থাকতে পারে। বিশেষ করে আমাদের দেশের প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য এই ধরনের খবর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা নিউ ইয়র্কে বা অন্য কোনো মার্কিন শহরে বসবাস করছেন। তারা জানতে চান যে, তাদের শহরে কি ঘটছে এবং কীভাবে তারা নিজেদের নিরাপদ রাখতে পারেন।
মন্তব্য করুন