জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জারি হওয়া প্রেসিডেন্সিয়াল আদেশ অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর অধিবেশন ডাকার কথা থাকলেও তা সম্পন্ন হয়নি। এই বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের তীব্র প্রতিক্রিয়া। তিনি দাবি করেছেন, সমস্ত প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে এবং সরকারের উদ্যোগের সত্যিকারের উদ্দেশ্য সন্দেহজনক।
ডা. শফিকুর রহমানের মতে, ‘আজই ৩০ দিনের সময়সীমা শেষ হচ্ছে, কিন্তু এখনো কোনো অধিবেশন ডাকা হয়নি। এটি সংবিধানের প্রতি সরকারের আপত্তিকর অবস্থান প্রদর্শন করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এই বিষয়ে ব্যাপক উদ্বেগ রয়েছে। তারা দেখতে চান, দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা কীভাবে উন্নত হচ্ছে।’
এই বিষয়ে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তারা জানতে চান, সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া কীভাবে চলছে এবং তা তাদের দেশের ভবিষ্যতকে কীভাবে প্রভাবিত করবে। অনেকেই মনে করেন, এই সংস্কার যদি সঠিকভাবে সম্পন্ন না হয়, তবে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
রবিবার (১৫ মার্চ) তারিখে জাতীয় সংসদে এই বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বিরোধীদলীয় নেতারা দাবি করেন, সরকারের এই অকর্মণ্যতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা চান, সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সহযোগিতামূলকভাবে সম্পন্ন হোক।
এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংবিধান সংস্কার একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং তা সম্পন্ন করতে সরকারের সত্যিকারের ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা প্রয়োজন। তারা মনে করেন, যদি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়, তবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা দেখতে চান, তাদের দেশে কীভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করা হচ্ছে। তারা আশা করেন, সরকার এই সংস্কার প্রক্রিয়াটি যথাসময়ে সম্পন্ন করবে এবং দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।
মন্তব্য করুন