২০২৬ সালের অস্কার সিনেমা জগতে একটি অনন্য বছর হবে। এই বছর রায়ান কুগলার পরিচালিত ‘সিনার্স’ ১৬টি মনোনয়নের সাথে ইতিহাস রচনা করতে সক্ষম হয়েছে। একক চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ মনোনয়নের এই রেকর্ডের পাশাপাশি, এটি বেস্ট পিকচার, বেস্ট ডিরেক্টর, বেস্ট অ্যাক্টর এবং নতুনভাবে যোগ করা বেস্ট কাস্টিং বিভাগেও মনোনীত হয়েছে।
অন্যদিকে, ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ১৩টি মনোনয়নের সাথে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এটি ‘সিনার্স’ এর সাথে বেস্ট পিকচার, বেস্ট অ্যাক্টর, বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাক্ট্রেস এবং বেস্ট ডিরেক্টর বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এই বছর অস্কার সিরেমনি একটি নতুন বিভাগ বেস্ট কাস্টিং যোগ করেছে, যা ২০০১ সালে বেস্ট অ্যানিমেটেড ফিচার বিভাগ যোগ করার পর ২৫ বছর পর প্রথম নতুন বিভাগ। হোস্টিং করবেন কনান ওব্রায়েন, যিনি দ্বিতীয়বারের মতো এই দায়িত্ব পালন করছেন। অ্যানাউন্সিং করবেন ম্যাট বেরি, যিনি ‘দ্য আইটি ক্রাউড’ এবং ‘ওয়াট উই ডু ইন দ্য শ্যাডোস’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
অস্কার সিরেমনি ডলবি থিয়েটার, লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হবে এবং এবিসি টেলিভিশনে সরাসরি প্রচারিত হবে। এছাড়া হুলু এও স্ট্রিমিং হবে।
এই বছর বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে:
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য, এই অস্কার সিরেমনি বিশেষ আকর্ষণীয়। কারণ এই বছর বাংলাদেশী পরিচালকদের কাজও মনোনীত হয়েছে। বিশেষ করে ‘সিনার্স’ চলচ্চিত্রে বাংলাদেশী শিল্পীরা কাজ করেছেন। এছাড়া, নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের অনেকেই এই বছর অস্কার সিরেমনি দেখতে আগ্রহী।
অস্কার সিরেমনি দেখতে আমাদের দেশের অনেকেই আগ্রহী। বিশেষ করে যারা আমেরিকায় বসবাস করেন, তারা এই বছর অস্কার সিরেমনি দেখতে আগ্রহী। কারণ এই বছর বাংলাদেশী শিল্পীরা ও পরিচালকদের কাজও মনোনীত হয়েছে।
অস্কার সিরেমনি দেখতে আমাদের দেশের অনেকেই আগ্রহী। বিশেষ করে যারা আমেরিকায় বসবাস করেন, তারা এই বছর অস্কার সিরেমনি দেখতে আগ্রহী। কারণ এই বছর বাংলাদেশী শিল্পীরা ও পরিচালকদের কাজও মনোনীত হয়েছে।
মন্তব্য করুন