মিয়ামির এক রাত। ২০২৬-এর বিশ্ব বেসবল ক্লাসিকের চূড়ান্ত লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা। একক ম্যাচের এই ফাইনালে দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়িয়েছে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স। রবিবারের সেমিফাইনালে ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রের বিধ্বংসী ব্যাটিংকে রুখে দিতে বিরাট ভূমিকা রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের পিচার পল স্কিনেস। তার বলের সামনে একাই তিনটি হোমরান খেয়ে বসে ডমিনিকান দল। অন্যদিকে ভেনেজুয়েলা জাপানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতালির অঘটনকে থামিয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন অ্যারন জাজ, আর ভেনেজুয়েলার তারকার ভূমিকায় রয়েছেন রোনাল্ড আকুনা জুনিয়র। দুই দলেরই ব্যাটিং লাইনআপে রয়েছে তারকাখ্যাতির মেলা। কিন্তু কি শুধু ব্যাটিং-এর লড়াই হবে? না, দুই দলের মধ্যেই সম্ভবত সিদ্ধান্ত হবে পিচিং-এর যুদ্ধের মাধ্যমে। রবিবারের সেমিফাইনালেও দুই ম্যাচেই পিচিংই হয়ে উঠেছিল জয়-পরাজয়ের নির্ধারক।
ঠিক এমন একটা সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দলের সাথে যোগ দেন তারিক স্কুবাল। ডেট্রয়েট টাইগার্সের প্রি-সিজন প্রশিক্ষণ থেকে মিয়ামিতে ছুটে আসেন তিনি। বৃষ্টির মধ্যেই গাড়ি চালিয়ে দলের সাথে যোগ দেওয়া স্কুবাল জানান, দলের সঙ্গে থাকার সুযোগ তিনি হাতছাড়া করতে চাননি। তার কথায়, “আমি এই দলের সঙ্গে একই ডাগআউটে থাকতে পারব না এমন সুযোগ কখনোই ছাড়তে পারি না।”
এদিকে নিউইয়র্ক মেটসের তরুণ পিচার নোলান ম্যাকলিন ইতিমধ্যেই ফাইনালের স্টার্টার হিসেবে ঘোষিত হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে, স্কুবাল কি মাঠে নামবেন? কিংবা প্রয়োজনে রিলিফ হিসেবে নামবেন? না, তিনি নামবেন না। দলের সমর্থক হিসেবেই তিনি থাকবেন ডাগআউটে।
বিশ্ব বেসবল ক্লাসিকের আগে টরন্টো ব্লু জেজ-এর বিপক্ষে প্র্যাকটিস ম্যাচে স্কুবাল সাতটি ব্যাটসম্যানকে আউট করেন মাত্র ৬১টি বল করে। তবে তিনি ফাইনাল ম্যাচে নামতে পারবেন না। যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে তার একমাত্র উপস্থিতিই ছিল এই টুর্নামেন্টে, যেখানে তিনি তিন ইニング বল করে মাত্র একটি রান দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, স্কুবালের বিশ্ব বেসবল ক্লাসিক যাত্রা এখানেই শেষ। তবে দলের সঙ্গে থাকার এই সুযোগটাই তার কাছে অনেকখানি।
মন্তব্য করুন