মালদ্বীপের দিঘুরা আইল্যান্ডে ১২ মার্চ রাতে এক শ্রমিক কোয়ার্টার থেকে আগুন লাগার ঘটনায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বাদেগাংনই গ্রামের নূরনবী সরকার (২৭) সহ পাঁচজন বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। নূরনবীর পরিবার এখন শোকের মাঝে। তার বাবা আব্দুস সামাদ বলেন, “আমাদের ছেলে কোরবানী ঈদে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি।”
নূরনবীর পরিবার এখন তার লাশ দেশে আনতে চায়। তার মা-বাবা ও বোনরা ভেঙে পড়েছেন শোকে। আব্দুস সামাদ বলেন, “আমরা জানতে চাই কবে আমাদের ছেলের লাশ দেশে আসবে। অন্তত শেষবারের মতো ওর মুখ দেখতে চাই।”
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, “মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়ার পর লাশ আনার ব্যবস্থা করা হবে।”
এই ঘটনা বাংলাদেশের প্রবাসীদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই খবর শোকের তরঙ্গ ছড়িয়ে দিয়েছে। অনেক প্রবাসী এই ধরনের শ্রমিক আহতের ঘটনা থেকে নিজেদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত।
মালদ্বীপে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিষয়টি প্রায়শই আলোচিত হয়। অনেক প্রবাসী বলেন, শ্রমিকদের জন্য সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেকেই মালদ্বীপে কাজ করার জন্য তাদের আত্মীয়-স্বজনকে পাঠানোর পরিকল্পনা করে থাকেন।
নূরনবীর মৃত্যুর ঘটনা বাংলাদেশের প্রবাসীদের মাঝে নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। তারা চান, বাংলাদেশ সরকার মালদ্বীপে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও সতর্কতা বাড়িয়ে নেয়।
এই ঘটনা থেকে দেখা যায়, প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সাথে মালদ্বীপ সরকারের মধ্যে আরও মजबুত সম্পর্কের প্রয়োজন। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
নূরনবীর পরিবার এখন তার ছেলের মৃত্যুতে শোকে ডুবে আছে। তারা আশা করে, বাংলাদেশ সরকার মালদ্বীপে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও সতর্কতা বাড়িয়ে নেবে।
মন্তব্য করুন