মার্চ ম্যাডনেসের ব্র্যাকেট ঘোষণার দিন, ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল দল শীর্ষবীজে নির্বাচিত হবার গৌরব অর্জন করে। এবারও আমাদের দেশের প্রবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্রীড়া-প্রেমীদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে এই প্রতিযোগিতার আকর্ষণীয় রূপ। আজকের সিলেকশন সানডে অনুষ্ঠানে ডিউককে শীর্ষবীজে স্থাপন করা হলে, এর পিছনে রয়েছে তাদের অসামান্য মৌসুম। আরিজোনা, মিশিগান এবং ফ্লোরিডা তাদের অনুসরণ করে। পাস্ট সিজনে চারটি নম্বর ১ দল ফাইনাল ফোরে পৌঁছানোর অর্জনকে পুনরাবৃত্তি করতে চায়।
মিশিগানের একটু নিচে নেমে আসা বিষয়টি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। তাদের পিউর্ডুয়ের কাছে পরাজয়ের কারণে এই পরিবর্তন ঘটে। সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান কিথ গিলের মতে, এই পরিবর্তনটি প্রতিযোগিতার শেষ মুহূর্তে ঘটে। অন্যদিকে, মিয়ামি (ওহাইও) দলকে নম্বর ১১ বীজে অন্তর্ভুক্ত করা হলে, তাদের ৩১-১ রেকর্ডের সাথে ৩৩৯তম র্যাঙ্কের স্ট্রেঞ্থ অফ স্কেডের সংঘর্ষের কথা উল্লেখযোগ্য। তারা এখন ডেটন, ওহাইওতে এসএমইউয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ফোর গেমে অংশ নিবে, যা তাদের ঘরের কাছাকাছি।
এই প্রতিযোগিতার শুরু হবে আগামী তরোয়ার থেকে প্লে-ইন গেমসের সাথে। টেক্সাস এবং নর্থ ক্যারোলিনা স্টেটের মতো বাবল টিমসও অংশ নিবে। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট পরবে ইন্ডিয়ানাপোলিসে ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ফাইনাল ফোরে। এবারও সাউদার্ন কনফারেন্সের ১০ দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের আধিপত্য বজায় রেখেছে।
বাংলাদেশী প্রবাসীরা, বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের ক্রীড়া-প্রেমীরা, এই প্রতিযোগিতার প্রতি বিশেষ আগ্রহী থাকেন। তারা প্রায়ই এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সাথে নিজেদের সংযুক্তি অনুভব করেন। বিশেষ করে, যখন আমাদের দেশের ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেন, তখন প্রবাসীরা তাদের সমর্থনে সক্রিয় হন।
এই বছরও ফ্লোরিডা দলকে প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে তারা পাস্ট সিজনের মতো সফলতা পাবেন। তারা ২০০৬-০৭ সালে দু’বারেরও বেশি শিরোপা জয় করেছেন। পাস্ট সিজনে তারা একটি অল-নম্বর ১ ফাইনাল ফোরে অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা ১৭ বছর পর প্রথম ঘটনা ছিল।
কমিটির চেয়ারম্যান কিথ গিলের মতে, মিয়ামি (ওহাইও) দলকে শেষ অ্যাট-লার্জ টিম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যদিও তারা কিছু বাবল টিমের পিছনে ছিল। তাদের ৩১টি জয় অবশ্যই কিছু অর্থ বহন করে।
এই বছরও ইনজুরি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। নর্থ ক্যারোলিনা দলের কেলেব উইলসনের আঘাত এবং টেক্সাস টেকের জে টপিনের কনুই আঘাত তাদের বীজের উপর প্রভাব ফেলেছিল। কমিটির চেয়ারম্যান কিথ গিল বলেছেন যে তারা ইনজুরির প্রভাবকে বিবেচনা করেছেন।
এই প্রতিযোগিতার সাথে বাংলাদেশী প্রবাসীরা বিশেষভাবে সংযুক্ত। তারা প্রায়ই এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সাথে নিজেদের সংযুক্তি অনুভব করেন। বিশেষ করে, যখন আমাদের দেশের ক্রীড়াবিদরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নেন, তখন প্রবাসীরা তাদের সমর্থনে সক্রিয় হন।
মন্তব্য করুন