বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আজ একটি জটিল মিশ্রণ। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশেষ করে আমেরিকার থেকে এই সম্পর্কের উত্থান-পতনকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন। ৫ আগস্টের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে একটি ঠান্ডা বরফের মতো অবস্থা দেখা দিয়েছে। ভারতের সরকার মনে করে, মাহফুজ ও নাহিদের প্রভাব থাকায় ইউনূস সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা কঠিন। অন্যদিকে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকরা ‘দিল্লি না ঢাকা’ অনুভূতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি।
তবে এই বরফের নিচে একটি স্থিতাবস্থা বিদ্যমান। সীমান্তে তুলনামূলকভাবে শান্তি বজায় আছে। ভারতের উত্তর-পূর্ব সাত রাজ্যের মানচিত্র নিয়ে কিছু স্বপ্নবাদী বাংলাদেশি উত্তেজনা সৃষ্টি করলেও, তা স্থিতাবস্থা ভাঙতে পারেনি। আবার ভারতের উগ্রবাদীরাও বাংলাদেশের কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা অতিরঞ্জিত করে সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে দিলেও, তা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারেনি।
প্রবাসী সমাজের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই সম্পর্কের ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বেশ আকর্ষণীয়। আমেরিকার বাংলাদেশি সম্প্রদায় বিশেষ করে এই সম্পর্কের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের প্রতি সচেতন। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা প্রবাসীদের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও, দুই দেশের সরকারের মধ্যে গোপন আলোচনা চলতে থাকে।
সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৪০৯৬ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর দীর্ঘতম সীমান্তগুলির মধ্যে একটি। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সহযোগিতায় দুটি দেশের মধ্যে সহিংসতা কমেছে। তবে মাঝেমধ্যে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রভাবে পুশ-ইনের ঘটনা ঘটে। তবে এসব ঘটনা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে না।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বেশ আকর্ষণীয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশেষ করে আমেরিকার থেকে এই সম্পর্কের উত্থান-পতনকে ঘুরে ঘুরে দেখছেন। অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা প্রবাসীদের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও, দুই দেশের সরকারের মধ্যে গোপন আলোচনা চলতে থাকে।
মন্তব্য করুন