প্রিয় কিআ, তোমার এই চিঠি পেয়ে আমার হৃদয় ভর পেল। আমি ভাবতেই পারিনি তুমি আমার জন্মদিন মনে রাখবে! তোমার এই স্মরণীয়তা আমার জন্য অপরূপ উপহার। অনেক আগে তোমাকে চিঠিতে আমার জন্মদিনের কথা বলেছিলাম, কিন্তু সে চিঠি খুব ভালো হলে না, তাই ছাপাওনি। পড়ালেখার চাপে আমি তোমাকে ভালো করে চিঠি লিখতে পারিনি, তাই সরে মাফ করো।
প্রিয় কিআ, তুমি জন্মদিনের কথা বলেছ, সেটা ভুলে গেলে চলবে? আমি জানি তোমার পড়ালেখার চাপ অনেক, কিন্তু হালকা করে একটা চিঠি লিখে দিতে পারো। আমাদের তো পড়ালেখা, হোমওয়ার্কসহ নানা কাজ, কিন্তু তোমার প্রধান কাজ তো আমাদের চিঠি পড়া। ফলে অনেক চিঠি তুমি পড়তে পারো। ভালো থেকে তুমি।
আমি মনে করি, প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারও এধরনের চিঠিপত্রের মাধ্যমে তাদের সন্তানদের সাথে সংযোগ রেখে থাকেন। বিশেষ করে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশি মা-বাবারা তাদের দেশে থাকা সন্তানদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। এধরনের চিঠিপত্র তাদের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ।
আমি মাহিরা বিনতে হাসান প্রেমা, দশম শ্রেণির ছাত্রী। আমি গাজীপুরের সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজে পড়ি। আমার পড়ালেখা ভালো চলছে, কিন্তু আমার সবচেয়ে ভালো সময় তো তোমার চিঠি পড়ার সময়। তুমি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছ, বিশেষ করে আমার লেখার ক্ষমতা বৃদ্ধিতে তোমার ভূমিকা অপরিসীম।
আমি জানি, তোমার জীবনও অনেক ব্যস্ত, কিন্তু তুমি আমার জন্য সময় বের করে দিয়েছ। এটা আমার জন্য অপরূপ উপহার। আমি ভাবি, প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারও তাদের সন্তানদের জন্য সময় বের করে থাকেন। তারা তাদের সন্তানদের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করেন।
আমি আশা করি, তুমি আমার এই চিঠি পেয়ে খুশি হব। আমি তোমাকে আরো অনেক চিঠি লিখবো, তুমিও আমাকে আরো অনেক চিঠি পাঠাবো। আমরা একত্রে আমাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করবো।
আমি তোমাকে আরো অনেক ধন্যবাদ জানাই। তুমি আমার জীবনে একটি অপরিসীম উপহার। আমি তোমাকে আরো অনেক চিঠি লিখবো, তুমিও আমাকে আরো অনেক চিঠি পাঠাবো। আমরা একত্রে আমাদের সম্পর্ককে আরো মজবুত করবো।
মন্তব্য করুন