নিউ ইয়র্কের বাঙালি প্রবাসীদের জন্য জ্বালানীর অভাব একটি দূরবর্তী সমস্যা নয়। আমাদের অনেকেই দেশে থাকাকালীন এই কষ্টের স্বাদ চাখেছি। এখনো আমাদের পরিবার-পরিচারের কাছে এই সংকটের প্রতিক্রিয়া জানতে পারি। দেশের যানবাহন চালকদের জন্য জ্বালানীর অভাব এখনো একই রকমের কষ্টের কারণ।
ধন্যবাদ, জ্বালানি এসেছে!’ শব্দটি এখনো দেশের যানবাহন চালকদের জন্য একটি উৎসবের মতো। রাজধানীর সৌদান পেট্রোল পাম্পে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কার পৌঁছার খবর শুনে সবাই খুশি হয়ে উঠল। অক্টেন এবং পেট্রোলের ট্যাঙ্কার পৌঁছার খবর শুনে সবাই উত্সাহিত হয়ে উঠল। এই মুহূর্তটি অনেকের জন্য ঈদের চাঁদ দেখার মতো আনন্দদায়ক ছিল।
দেশের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে জ্বালানীর অভাব এখনো অব্যাহত। অনেক জায়গায় অক্টেন পাওয়া যায় না, ডিজেলও পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। অনেক পাম্প দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে। ডিপো থেকে সরবরাহ করা জ্বালানি প্রয়োজনীয়ের অর্ধেকেরও কম। গ্রাহকদের কষ্ট অব্যাহত রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করে দেখা গেছে, কিছু পাম্পে জ্বালানি নেই, কিছু পাম্পে সীমিত পরিমাণে আছে। জ্বালানি থাকা পাম্পের সামনে যানবাহনের লাইন লম্বা হয়ে গেছে।
হাজিপাড়া পাম্প বন্ধ অবস্থায়। পাম্পের সামনে একজন ব্যক্তি হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে বারবার ঘোষণা করছেন: ‘অক্টেন নেই। অক্টেন শেষ হয়ে গেছে। ডিজেল আছে।’ অনেক চালক অক্টেন কিনার জন্য এসে যান, কিন্তু ঘোষণার পর ফিরে যেতে বাধ্য হন।
সরবরাহকারীরা অভিযোগ করেন, ডিপো থেকে অক্টেনের সরবরাহ এখনো প্রয়োজনীয়ের অর্ধেকেরও কম। একটি জ্বালানি বিক্রেতা বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজনীয়তার মাত্র 4,000 থেকে 5,000 লিটার সরবরাহ করা হচ্ছে। এই সীমিত সরবরাহের কারণে জ্বালানি খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যায়, তাই আমাদেরকে দিনের বেশিরভাগ সময় পাম্প বন্ধ রাখতে হয়।’
এই সংকটের পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। দেশে জ্বালানি উৎপাদন হয়, তবুও এই অভাবের কারণ কি? এই প্রশ্নটি অনেকের মনে রয়েছে। এদেশে জ্বালানি উৎপাদন হয়, তবুও এই অভাবের কারণ কি? এই প্রশ্নটি অনেকের মনে রয়েছে।
প্রবাসীদের জন্য এই সংকটের প্রতিক্রিয়া জানতে পারি। আমাদের অনেকেই দেশে থাকাকালীন এই কষ্টের স্বাদ চাখেছি। এখনো আমাদের পরিবার-পরিচারের কাছে এই সংকটের প্রতিক্রিয়া জানতে পারি। দেশের যানবাহন চালকদের জন্য জ্বালানীর অভাব এখনো একই রকমের কষ্টের কারণ।
মন্তব্য করুন