বাংলাদেশ সরকার আজ থেকে জ্বালানি তেলের রেশনিং সীমাবদ্ধতা তুলে নেয়। এখন থেকে সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের সরবরাহ হ্রাস পায়। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ হারে তেল কেনার চেষ্টা করায় সরকার রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে বাধ্য হয়। ফিলিং স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ লাইন বাঁধা থাকলেও, এখন থেকে এই সমস্যা সমাধান হবে।
গত ৬ মার্চ থেকে তেলের বিক্রি সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল। রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলের জন্য ২ লিটার থেকে ৫ লিটার পর্যন্ত সীমা বাড়ানো হয়েছিল। ফিলিং স্টেশনগুলিতে চাহিদার চেয়ে ২৫% কম সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে এখন থেকে এই সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে।
বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) জানায়, এ মাসে ১৮টি তেল জাহাজ আসার কথা। এ পর্যন্ত ৬টি জাহাজ আসেছে, আরো ৬টি আসার সময়সূচি নির্ধারিত। প্রতিটি জাহাজে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টন তেল থাকে। বেশিরভাগ জাহাজ ডিজেল নিয়ে আসছে। দেশে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ টন ডিজেল মজুত আছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই খবর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যারা দেশে ফিরে আসতে চান বা পরিবারের জন্য তেল আমদানি করতে চান, তারা এখন চাহিদামতো সরবরাহ পাবেন। সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য সরকার বিভিন্ন দেশের সাথে আলোচনা চলছে। এছাড়া দেশীয় উৎস থেকে দৈনিক ৬০০ থেকে ৭০০ টন পেট্রল ও অকটেন উৎপাদন হচ্ছে। এভাবে সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত হলে দেশের জ্বালানি সংকটের সমাধান সম্ভব হবে।
এই খবরটি বিশেষভাবে আমেরিকার প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা দেশে ফিরে আসার সময় বা পরিবারের জন্য তেল আমদানি করার সময় এখন চাহিদামতো সরবরাহ পাবেন। সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
মন্তব্য করুন