ডিজিটাল যুগে যেখানে বিশেষজ্ঞরাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন বলে ধারণা করা হয়, সেখানে সম্প্রতি আলোচনায় উঠে এসেছে এক বিরল ঘটনা। মার্কিন স্টার্টআপ কলাশির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তরিক মনসুর এবং লুয়ানা লোপেস লারা জানিয়েছেন, তাদের প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে সফল ভবিষ্যদ্রষ্টারা আসলে বিশেষজ্ঞ বা প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ নন, বরং সাধারণ মানুষ। এমনকি তাদের মধ্যে একজন রয়েছেন ক্যানসাসের একজন সাধারণ মানুষ, যিনি মুদ্রাস্ফীতির সর্বোত্তম পূর্বাভাস দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
কলাশির সিইও তরিক মনসুর সম্প্রতি ‘চিকি মার্কিন স্টার্টআপ কলাশির সহ-প্রতিষ্ঠাতা তরিক মনসুর এবং লুয়ানা লোপেস লারা জানিয়েছেন, তাদের প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে সফল ভবিষ্যদ্রষ্টারা আসলে বিশেষজ্ঞ বা প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ নন, বরং সাধারণ মানুষ। এমনকি তাদের মধ্যে একজন রয়েছেন ক্যানসাসের একজন সাধারণ মানুষ, যিনি মুদ্রাস্ফীতির সর্বোত্তম পূর্বাভাস দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
কলাশির সিইও তরিক মনসুর সম্প্রতি ‘চিকি পিন্ট’ পডকাস্টে স্টাইপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জন কোলিসনের সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ভবিষ্যদ্রষ্টাদের ক্ষেত্রে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা প্রতিষ্ঠিত বিশেষজ্ঞদের চেয়েও বেশি নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে পারেন। তিনি আরো জানান, কলাশির মতো পূর্বাভাস বাজারে এমন মানুষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যারা সাধারণভাবে অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেন।
কলাশির সহ-প্রতিষ্ঠাতা লুয়ানা লোপেস লারা তার প্রিয় একজন ব্যবহারকারীর কথা উল্লেখ করেছেন যিনি একজন আরিয়ানা গ্রান্ডে ভক্ত। তিনি নির্বাচনের সময় কলাশিতে যুক্ত হন এবং সঙ্গীত তালিকার মার্কেটগুলোতে সক্রিয় হন। লোপেস লারা জানান, এই ব্যবহারকারী প্রায় ১৫০,০০০ ডলার আয় করেছেন এবং তার শিক্ষা ঋণ পরিশোধ থেকে শুরু করে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করা পর্যন্ত নানান কাজে এই আয় ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, “এই মার্কেটগুলো তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ এটি তাকে তার সঙ্গীতের প্রতি আবেগকে অর্থোপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।”
কলাশির মতো পূর্বাভাস বাজারগুলোতে সাধারণ মানুষদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচনের পর কলাশির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কিত পূর্বাভাস দেওয়ার অনুমতি পাওয়ার জন্য কলাশিকে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হয়েছিল। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন পূর্বাভাস বাজারগুলোকে আরও স্বাধীনভাবে পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছে, তবুও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এখনও এসব প্ল্যাটফর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছে।
তবে কলাশি কর্তৃপক্ষ দাবি করেন, তারা অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহার করে বাজি ধরা বা যুদ্ধ ও মৃত্যু সংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বাভাস দেওয়ার মতো কার্যকলাপকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। তাদের মতে, এমন বাজারগুলো মানুষকে গবেষণা করতে এবং সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করে। ফলে সাধারণ মানুষদের কাছেও অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি হয়।
মন্তব্য করুন