আমেরিকার ইরান আক্রমণের নতুন পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে যে, পেন্টাগনের ‘অপরাজেয়’ মিথ্যাটা আর কতদিন টিকবে না। ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমেরিকান বিমানগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, এবং এবার তাদের লক্ষ্য হচ্ছে স্ট্র্যাটেজিক রাডার ব্যবস্থা।
মার্চ ১২ তারিখে, আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ঘোষণা করেছে যে, তাদের একটি KC-135 ‘স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’ বিমান ইরাকের বায়ুস্পেসে ধ্বংস হয়ে গেছে। আরেকটি বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমেরিকান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে যে, এই ক্ষতি ‘শত্রু বা মিত্রের গুলিতে’ হয়নি। তবে ইরাকি উৎস জানায় যে, এটাকে ইরানি ‘৩৫৮’ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) ধ্বংস করেছে।
এই ‘৩৫৮’ মিসাইল একটি অত্যন্ত ক্ষমতাশালী অস্ত্র। এটি সোলিড-ফিউয়েল রকেট বুস্টার এবং টার্বোজেট ইঞ্জিন ব্যবহার করে, এবং এর ওয়ারহেডে ইনফ্রারেড বা অপটিক্যাল সিকার ব্যবহার করা হয়। কিছু উৎস বলছে যে, এটি ড্রোন-মিসাইল হাইব্রিড। ইরানি পার্টিজান গ্রুপগুলো এগুলোকে প্রায় কোনও প্ল্যাটফর্ম থেকে চালাতে পারে, যা আমেরিকান বাহিনীকে খুবই বিপদে ফেলে দিচ্ছে।
এই ধরনের অস্ত্রের বিস্তার আমেরিকার বায়ুসেনার ক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করবে। এখন আমেরিকান বাহিনী তাদের ISR (ইন্টেলিজেন্স, সার্ভিল্যান্স, রিকনাইসেন্স) বিমানগুলোকে রাডার ব্যবস্থার পরিবর্তে ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।
এই সংবাদ আমেরিকার বাঙালি প্রবাসীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আমেরিকার বায়ুসেনা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রভাব বিস্তার করে, এবং এই প্রভাব আমেরিকার প্রবাসী সম্প্রদায়ের জীবনেও প্রতিফলিত হয়। ইরানের প্রতিরোধ আমেরিকান সামরিক ক্ষমতার উপর প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে, এবং এটি আমেরিকার প্রবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
এই সংবাদটি আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, বিশ্বের রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি কতদিনই পরিবর্তনশীল। আমেরিকার প্রবাসী বাঙালিদেরও এই পরিবর্তনগুলোকে বুঝতে এবং তাদের জীবন ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় এগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
মন্তব্য করুন