ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি KC-135 রিফুয়েলিং জেট দুর্ঘটনাক্রমে পতিত হলে বিমানের সব ছয় জন সৈনিকের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইন এই দুর্ঘটনাকে ‘যুদ্ধের কঠোর সত্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে তিনজন ছিলেন ফ্লোরিডার ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসের ৬ষ্ঠ এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ের সদস্য এবং তিনজন ছিলেন ওহাইওর রিকেনব্যাকার এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বেসের ১২১তম এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ের সদস্য। তাদের মধ্যে ক্যাপ্টেন সেথ আর. কোভাল (৩৮) ছিলেন ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স (২৮) ছিলেন ওহাইওর কলম্বাসের বাসিন্দা।
মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ‘আমাদের সৈনিকরা দেশের জন্য অসাধারণ বলিদান দিচ্ছেন। এই দুর্ঘটনাই যুদ্ধের সত্য চিত্র দেখায়।’ ডিফেন্স সেক্রেটারি পিট হেগসেথও বলেছেন, ‘যুদ্ধ হলো নরক, যুদ্ধ হলো অশান্তি। আমাদের সৈনিকরা সবাই আমেরিকার নায়ক।’
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১) ছিলেন ওয়াশিংটনের কোভিংটনের বাসিন্দা এবং টেক. সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪) ছিলেন কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের বাসিন্দা। তাদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে।
মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের মধ্যে মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩) ছিলেন আলাবামার অবার্নের বাসিন্দা এবং ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. এঙ্গস্ট (৩০) ছিলেন ওহাইওর উইলমিংটনের বাসিন্দা।
এই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারী সৈনিকদের পরিবার ও বন্ধুবালগ এখন শোকে ডুবে আছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু আক্রমণ বা মিত্র আক্রমণের জড়িত ছিল না। তবে সেনাবাহিনীর তদন্ত চলছে।
মন্তব্য করুন