ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া ছয় মার্কিন সৈনিকের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। তারা ওহাইও এয়ার ন্যাশনাল গার্ড এবং ফ্লোরিডা ভিত্তিক ৬ষ্ঠ এয়ার রিফিউয়েলিং উইংয়ের সদস্য ছিলেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পরিচয় প্রকাশ করে।
মারা যাওয়া সৈনিকদের মধ্যে ছিলেন ক্যাপ্টেন সেথ আর. কোভাল (৩৮), উইলমিংটন, ওহাইওর ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. অ্যাঙ্গস্ট (৩০), কলম্বাস, ওহাইওর টেকনিক্যাল সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স (২৮), অলাবামার মেজর জন এ. ক্লিনার (৩৩), কোভিংটন, ওয়াশিংটনের ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো (৩১), এবং বার্ডস্টাউন, কেন্টাকির টেকনিক্যাল সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট (৩৪)।
সিমন্সের মা চেরিল সিমন্স সাবেক সৈনিকের মৃত্যুর খবর পাওয়ার মুহূর্তের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘আমি যখন দরজা খুললাম, তখন তিনি বললেন ‘ওহ নো’, আমি দৌড়িয়ে গিয়ে দেখলাম, তারা সকলেই পর্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমি বললাম, ‘আপনি কি মজা করছেন?’
মারা যাওয়া সৈনিকরা ১২ মার্চ ইরাকের তুরাইবিল এলাকায় দুর্ঘটনায় মারা যান। তারা ইরান বিরোধী অভিযানে অংশ নিচ্ছিলেন। বিমান দুর্ঘটনাটি ইরাক-জর্দানের সীমান্তের কাছে ঘটে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ তাদেরকে আমেরিকান নায়ক হিসেবে প্রশংসা করেন।
এই দুর্ঘটনায় আমেরিকান সৈনিকদের মৃত্যু বাংলাদেশী প্রবাসীদের মাঝে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী সমাজে এই খবরকে গভীরভাবে অনুভূত হচ্ছে। অনেক প্রবাসী সৈনিকদের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য এই খবর বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেক বাংলাদেশী মার্কিন সামরিক বাহিনীতে কাজ করে। তারা এ ধরনের দুর্ঘটনায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
এই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনাটি ঘটে যখন তারা মিত্র এলাকায় মিশন পূরণের সময় ছিল।
মন্তব্য করুন