ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি KC-135 রিফিউয়েলিং বিমান দুর্ঘটনায় ছয় জন বিমানবাহিনীর সদস্য নিহত হবার খবর পেলে আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের অনেকেই চিন্তিত হয়ে উঠেছেন। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ১২ই মার্চ, বুধবার। মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, দুর্ঘটনাটি শত্রু বা মিত্রের গুলিতে ঘটেনি।
নিহত ছয় জনের মধ্যে তিনজন ছিলেন ফ্লোরিডার ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেসের 6th Air Refueling Wing-এ নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা হলেন: অ্যালাবামার অবর্নের ৩৩ বছর বয়সী মেজর জন এ. ক্লিনার, ওয়াশিংটনের কোভিংটনের ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. সাভিনো, এবং কেন্টাকির বার্ডস্টাউনের ৩৪ বছর বয়সী টেকনিশিয়ান সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট। অন্য তিনজন ছিলেন ওহাইওর রিকেনব্যাকার এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বেসের 121st Air Refueling Wing-এ নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা হলেন: ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের ৩৮ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন সেথ আর. কোভাল, ওহাইওর উইলমিংটনের ৩০ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. অ্যাঙ্গস্ট, এবং ওহাইওর কলম্বাসের ২৮ বছর বয়সী টেকনিশিয়ান সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স।
এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ‘অপারেশন ইপিক ফিউরি’ মিশনের সময়। দুটি KC-135 ট্যাঙ্কার বিমানের মধ্যে একটি দুর্ঘটনায় নষ্ট হয়ে গেছে, অন্যটি সফলভাবে অবতরণ করেছে। মার্কিন সেনা প্রধান জেনারেল কেইন বলেছেন, দুর্ঘটনাটি শত্রু বা মিত্রের গুলিতে ঘটেনি।
এই খবর পেলে আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের অনেকেই চিন্তিত হয়ে উঠেছেন। বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী প্রবাসীরা যারা মার্কিন সেনাবাহিনীর সাথে যুক্ত থাকেন বা তাদের পরিবার রয়েছে, তারা এই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছেন।
মার্কিন সেনাবাহিনীর এই ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের অনেকেই মার্কিন সেনাবাহিনীর সাথে যুক্ত থাকেন বা তাদের পরিবার রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আমরা সমবেদনা জানাচ্ছি এবং তাদের জন্য প্রার্থনা করছি।
এই দুর্ঘটনা আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের জন্য একটি স্মরণীয় ঘটনা। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে এবং আমাদের প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের পরিবার সুরক্ষিত থাকে।
মন্তব্য করুন