বাংলাদেশের অলরাউন্ডার শাকিব আল হাসানের বিশ্বকাপে অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পিছনে একটি বিশেষ কৌশল আছে। তিনি বিশ্বাস করেন, নম্বর ৩-এ ব্যাটিং করলে তার স্কোরিং সুযোগ বেশি হয়। এই কৌশলটি তার বিশ্বকাপে সফলতা পাওয়ার একটি প্রধান কারণ।
শাকিবের এই বিশ্বাসের প্রমাণ হলো তার টানটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২৪ রান। মাত্র ৯৯ বল মোকাবেলা করে তিনি এই সেঞ্চুরি করেন। এতে বাংলাদেশ দল ৩২২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য পূরণ করতে সক্ষম হয়।
‘আমি জানি, যদি আমি নম্বর ৩-এ ব্যাটিং করি, তাহলে আমার বেশি সুযোগ পাবে। যদি আমি নম্বর ৫-এ ব্যাটিং করি, তাহলে ৩০ বা ৪০ ওভারের দিকে আমি ব্যাটিং শুরু করবো। আমার মতে, এটা আমার জন্য আদর্শ নয়,’ শাকিব পোস্ট ম্যাচ প্রেজেন্টেশনয়ে বলেন।
শাকিবের ব্যাটিংয়ের এই সফলতা পিছনে তার অতিরিক্ত প্রচেষ্টা এবং কোচিংয়ের ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, তিনি সর্বশেষ এক মাসের জন্য ভারতীয় প্রিমিয়ার লীগে তার ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের সাথে কঠোর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এতে তার ব্যাটিংে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
বিশ্বকাপে শাকিব সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হিসেবে আবির্ভূত হন। তিনি মাত্র ৩৮৪ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়া তিনি বল হাতেও সফল ছিলেন। তিনি মাত্র দুই উইকেট নিয়েছেন, কিন্তু তার ব্যাটিংয়ের জন্য তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।
শাকিব বিশ্বাস করেন, এটি ছিল একটি দলীয় প্রচেষ্টা। তিনি বলেন, দলটি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সীমিত রানে সীমাবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। এতে তারা বিশ্বাস পেয়েছিলেন যে, যদি তারা ভালো ব্যাটিং করে, তাহলে তারা লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে।
বিশ্বকাপে শাকিবের ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি তার বল হাতে সফলতা রয়েছে। তবে তিনি বলেন, তিনি তার বল হাতে আরো উন্নতি করতে চান। ‘আমি বল হাতে কাজ করছি। বর্তমানে আমি ভালো করছি, কিন্তু আমি আরো ভালো হতে পারি,’ শাকিব বলেন।
এই সফলতা আমাদের দেশের প্রবাসী সমাজের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহজনক। বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী সমাজের জন্য এটি একটি গর্বের বিষয়। শাকিবের মতো খেলোয়াড়রা দেশের জন্য গর্বের কারণ এবং তাদের সফলতা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সফলতা আমাদের দেশের প্রবাসী সমাজের জন্য একটি উৎসাহের উৎস। আমরা শাকিবের মতো খেলোয়াড়দের সফলতা দেখে গর্বিত হয়াম। তারা দেশের জন্য খেলে এবং তাদের সফলতা আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে।
মন্তব্য করুন