আরেকবার রোহিত শর্মা নিজেকে বিশ্ব ক্রিকেটের শীর্ষস্থানীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১০ জুন, ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৮৯ রানে জয়লাভ করে। রোহিতের ১৪০ রানের অপরাজিত ইনিংস এই বিজয়ের মূল চাবিক ছিল।
পাকিস্তান বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে এখনো কোনো জয় পায়নি। সাত ম্যাচে সাতবার পরাজিত হবার রেকর্ড এবারও বজায় থাকে। ভারত প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামলে কে.এল. রাহুল ও রোহিতের ১৩৬ রানের অংশীদারত্বে দলটি ৩৩৬/৫ রানে অলআউট হয়। রোহিতের ইনিংস ছিল দর্শনীয়—১১৩ বল মোকাবেলা করে ১৪টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে আসা বাংলাদেশী অভিবাসীরা, বিশেষ করে নিউ ইয়র্কের বাঙালি সম্প্রদায়, এই ম্যাচের প্রতি বিশেষ আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। অনেকেই ম্যানচেস্টারের স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন, অন্যরা হোটেলে একত্রিত হয়ে খেলা দেখছিলেন। এটাই ছিল তাদের জন্য একটি বিনোদনের সময়—দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যে খেলা দেখতে।
পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরুতে ভালো ছিল, কিন্তু মাঝামাঝি ওভারে উইকেটের পতন তাদেরকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। ফখর জামান ও বাবর আজমের ১১৭ রানের অংশীদারত্বের পর, দলটি ১৬৫/৬-এ পৌঁছলে বৃষ্টির কারণে খেলা বাধাগ্রস্ত হয়। ডিএলএস পদ্ধতির মাধ্যমে পাকিস্তানের নতুন লক্ষ্য ছিল ৩০২ রান, যা তারা পূরণ করতে পারেনি।
এই বিজয়ের মাধ্যমে ভারত পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। বাংলাদেশী অভিবাসীরা এই খেলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত ও পাকিস্তানের ক্রীড়াশৈলী নিয়ে আলোচনা করছেন। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের গভীরতা ও পাকিস্তানের মিডল-অর্ডারের দুর্বলতা এই ম্যাচের ফলাফলের প্রধান কারণ।
নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের অনেকেই এই খেলা দেখার পর নিজেদের সমর্থিত দলের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিছুজন পাকিস্তানের সমর্থক, অন্যরা ভারতের। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে, তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও জাতীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করছেন।
মন্তব্য করুন