রমজানের এই পবিত্র মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাজারে সয়াবিন ও পাম তেলের দামের দ্রুত বৃদ্ধি এবং সরবরাহের সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে ক্রেতারা। বিশেষত ঢাকার কিছু এলাকায় তেলের দাম সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) চেয়েও বেশি হয়ে গেছে। পাঁচ লিটারের বোতলও পাওয়ার জন্য ক্রেতাদের কষ্ট করতে হচ্ছে।
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৮৫ থেকে ১৯৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে, যেখানে পাঁচ লিটারের বোতলের দাম ৯৫০ থেকে ৯৫৫ টাকা। পাম তেলের দামও ১৬৩ থেকে ১৬৮ টাকা পর্যন্ত চলে গেছে। দোকানদাররা দাবি করছেন, ডিলারদের কাছ থেকে তেল পাওয়ার সমস্যা থাকায় তারা এমআরপি দামেই কিনতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের লাভকে হ্রাস করছে।
ঢাকার দিলু রোডের দোকানদার রমিজ মোল্লা বলেন, ‘তেল না থাকলে ক্রেতারা অন্য দোকানে চলে যাবেন, তাই কম লাভ হলেও আমাদের তেল রাখতে হয়।’ অন্যদিকে ক্রেতা সোহাগ মিয়া অভিযোগ করেন, ‘সব ব্যবসায়ী একই রকম, কীভাবে সাধারণ মানুষের উপর এতো চাপ দিচ্ছেন?’
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদি এই দাম বৃদ্ধিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি সিলেটের কিছু এলাকায় এমআরপি দামেই তেল বিক্রি হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই সংবাদ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যারা দেশে তাদের পরিবারের জন্য তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় থাকেন। রমজানের এই সময়ে তেলের দাম বৃদ্ধি পরিবারগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করছে, যা তাদের বাজেটকে প্রভাবিত করছে।
এই সংকটের পেছনে সরবরাহের ঘাটতি, ডিলারদের সমস্যা এবং বাজারের দাম নির্ধারণের সমস্যা রয়েছে। সরকারি বৈঠকেও এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু সমাধান এখনো দেখা দিতে পারেনি।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই সংবাদ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যারা দেশে তাদের পরিবারের জন্য তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় থাকেন। রমজানের এই সময়ে তেলের দাম বৃদ্ধি পরিবারগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করছে, যা তাদের বাজেটকে প্রভাবিত করছে।
মন্তব্য করুন