যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে তুলেছেন, কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতির ঐশ্বরিক প্রভাবকেও ক্ষুণ্ণ করেছেন। যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব সাধারণত জাতির জন্য এক ধরনের অভয়বাণী হয়ে ওঠে। যুদ্ধের সময় নেতারা জনগণের মধ্যে সাহস ও একাত্মতার বোধ জাগিয়ে তোলেন। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। তাঁর শাসনামলে যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের সেই মহিমা সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে গিয়েছে। একদিকে তিনি মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করেছেন, অন্যদিকে তাঁর সংস্কৃতিক প্রভাবের সীমাবদ্ধতা প্রকাশ পেয়েছে। যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সাধারণত নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও স্থিতিশীলতা প্রকাশ পায়। কিন্তু ট্রাম্পের নেতৃত্ব ছিল বিচ্ছিন্ন ও বিশৃঙ্খল। তাঁর আবেগপ্রবণতা ও অনিশ্চিত সিদ্ধান্ত দেশকে আরও বিভক্ত করেছে। ফলে যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতির ঐশ্বরিক মহিমা তাঁর হাতেই চূর্ণ হয়ে গেছে।
ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করে তুলেছেন, কিন্তু সেই সঙ্গে তাঁর নেতৃত্বের বৈধতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সাধারণত জাতির ঐক্য ও সংহতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাঁর বৈদেশিক নীতিও যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। ফলে তিনি যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতির ঐশ্বরিক প্রভাব হারিয়েছেন। ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। তিনি প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করেছেন, কিন্তু সেই সঙ্গে তাঁর নেতৃত্বের বৈধতাও হারিয়ে গেছে। যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের ক্ষেত্রে জাতির ঐক্য ও সংহতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তাঁর বৈদেশিক নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক মর্যাদাও ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ফলে তিনি যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতির ঐশ্বরিক মহিমা হারিয়েছেন।
সূত্র: NEW YORK TIMES
মন্তব্য করুন