ওয়াশিংটন, ১৯ মার্চ ২০২৬: ট্রাম্পের ২০২০ সালের নির্বাচনী ফলাফল উল্টে দেওয়ার প্রচেষ্টা তদন্তে যুক্ত থাকা দুই প্রাক্তন এফবিআই এজেন্ট রাজনৈতিক কারণে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ফেডারেল সরকার বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে তাঁদের কোনও কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলায় এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল, অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি এবং তাঁদের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রতিবাদী করা হয়েছে।
মামলাটি ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়ার একটি আদালতে দায়ের করা হয়েছে। দুই এজেন্টকে যথাক্রমে জন ডো ১ এবং জন ডো ২ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ গঠন করা হয়নি, কোনও অভ্যন্তরীণ তদন্তও চালানো হয়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণও উপস্থাপন করা হয়নি। তাঁদের বারবার চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্তকে প্রথম এবং পঞ্চম সংশোধনী লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায় যে তাঁদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল ২০২৫ সালের শরৎকালে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ গঠন করা হয়নি এবং তাঁদের কোনও সুযোগ দেওয়া হয়নি প্রতিবাদ করার। তাঁদের দাবি অনুসারে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কর্মক্ষমতা সংক্রান্ত ত্রুটির অভিযোগও ছিল না। তাঁদের মধ্যে একজনকে নির্বাচনী তদন্তের জন্য অর্থনৈতিক তদন্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তবে তাঁর কাজ ছিল প্রশাসনিক ধরনের। অন্যজন ছিলেন সহায়ক ভূমিকায়। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল না তদন্তে।
এফবিআইয়ের নীতি অনুসারে কোনও এজেন্টকে কেবলমাত্র চাকরি থেকে অপসারণ করা যেতে পারে যদি তাঁর কর্মক্ষমতা দুর্বল হয়, ছুটি অপব্যবহার করা হয় বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে এমন কোনও অভিযোগও ছিল না। জন ডো ১কে তাঁর হ্যালোইনের ছুটির দিনে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। অন্যজন জন ডো ২কে কয়েক দিন পর চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ ছাড়াই তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এফবিআই এবং বিচার বিভাগের মুখপাত্রদের সঙ্গে তাত্ক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের কারণে তাঁদের দুজনেরই নতুন চাকরি খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ গঠন না করেই তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের আইনি লড়াই চলবে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন